প্রাইমারির পরীক্ষাতে কবি-সাহিত্যিকদের পরিচিতি থেকে যে প্রশ্ন গুরুত্বপূর্ণ

 

কবি-সাহিত্যিকদের পরিচিতি:

যে সব কবি থেকে থেকে পরীক্ষাতে বেশি প্রশ্ন আসে তা আলোচনা করা হলঃ 
ফররুখ আহমদ (জুন ১০,১৯১৮-অক্টোবর ১৯,১৯৭৪) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী কবি।
ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খুলনা জিলা স্কুল থেকে ১৯৩৭ সালে ম্যাট্রিক এবং কলকাতার রিপন কলেজ থেকে ১৯৩৯ সালে আই.এ. পাস করেন। এরপর স্কটিশ চার্চ কলেজে দর্শন এবং ইংরেজী সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। ছাত্রাবস্থায় তিনি বামপন্থী রাজনীতিতে ঝুঁকে পড়েন। তবে চল্লিশ-এর দশকে তাঁর রাজনৈতিক বিশ্বাসে পরিবর্তন আসে। তিনি পাকিস্তান আন্দোলন সমর্থকন করেন। তাঁর রচনায় ধর্মীয় ভাবধারার প্রভাব দেখা যায়। এছাড়া আরবী ও ফারসি শব্দের প্রাচুর্য তাঁর লেখার অন্যতম বৈশিষ্ঠ্য। তবে ডানপন্থার প্রতি সমর্থন থাকলেও তিনি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সমর্থক ছিলেন। ফররুখ আহমদ মৃত্যুবরণ করেন ১৯৭৪ সালে ।
তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো  সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪), সিরাজাম মুনিরা (১৯৫২), নৌফেল এ হাতেম (১৯৬১), মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩), হাতেমতায়ী (১৯৬৬), হাবেদা মরুর কাহিনী (১৯৮১) ইত্যাদি । পাখির বাসা (১৯৬৫), হরফের ছড়া (১৯৭০), ছড়ার আসর (১৯৭০) ইত্যাদি তাঁর  শিশুতোষ রচনা ।
১৯৬০ সালে ফররুখ আহমদ বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৬৬ সালে পান আদমজী পুরস্কার ও ইউনেস্কো পুরস্কার। ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালে তাঁকে যথাক্রমে মরণোত্তর একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়। (আরো দেখুন)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঔপন্যাসিক, কবি, গল্পকার, গীতিকার, নাট্যকার, র, সাহিত্যিক, সুরকার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (৭ই মে, ১৮৬১ – ৭ই আগস্ট, ১৯৪১) (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ – ২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ) বাংলা সাহিত্যের দিকপাল কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গীতিকার, সুরকার, নাট্যকার ও দার্শনিক। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগ থেকে বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যে এক যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। তিনি তাঁর গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে তিনি প্রথম এশীয় হিসাবে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি তার সারা জীবনের কর্মে সমৃদ্ধ হয়েছে। বিশ্বের বাংলা ভাষাভাষীদের কাছে তিনি বিশ্বকবি, কবিগুরু ও গুরুদেব নামে পরিচিত। তিনি বিশ্বের একমাত্র কবি যিনি দুটি দেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা। বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলা এবং ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন গণ মন উভয়টির রচয়িতাই রবীন্দ্রনাথ। বলা যায় তাঁর হাতে বাঙ্গালীর ভাষা ও সাহিত্য,শিল্পকলা ও শিল্প চেতনা নতুনভাবে নির্মিত হয়েছে।
কবিতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম জীবনে ছিলেন বিহারীলাল চক্রবর্তীর (১৮৩৫-১৮৯৪) অনুসারী কবি। তাঁর কবিকাহিনী, বনফুল ও ভগ্নহৃদয় কাব্য তিনটিতে বিহারীলালের প্রভাব সুস্পষ্ট। সন্ধ্যাসংগীত কাব্যগ্রন্থ থেকে রবীন্দ্রনাথ নিজের বক্তব্য প্রকাশ করতে শুরু করেন। এই পর্বের সন্ধ্যাসংগীত, প্রভাতসংগীত, ছবি ও গান ও কড়ি ও কোমল কাব্যগ্রন্থের মূল বিষয়বস্তু ছিল মানব হৃদয়ের বিষণ্ণতা, আনন্দ, মর্ত্যপ্রীতি ও মানবপ্রেম। ১৮৯০ সালে প্রকাশিত মানসী এবং তার পর প্রকাশিত সোনার তরী (১৮৯৪), চিত্রা (১৮৯৬), চৈতালি (১৮৯৬), কল্পনা (১৯০০) ও ক্ষণিকা (১৯০০) কাব্যগ্রন্থে ফুটে উঠেছে রবীন্দ্রনাথের প্রেম ও সৌন্দর্য সম্পর্কিত রোম্যান্টিক ভাবনা। ১৯০১ সালে ব্রহ্মচর্যাশ্রম প্রতিষ্ঠার পর রবীন্দ্রনাথের কবিতায় আধ্যাত্মিক চিন্তার প্রাধান্য লক্ষিত হয়। এই চিন্তা ধরা পড়েছে নৈবেদ্য (১৯০১), খেয়া (১৯০৬), গীতাঞ্জলি (১৯১০), গীতিমাল্য (১৯১৪) ও গীতালি (১৯১৪) কাব্যগ্রন্থে। ১৯১৫ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূচনা ঘটলে বলাকা (১৯১৬) কাব্যে রবীন্দ্রনাথের কবিতায় আধ্যাত্মিক চিন্তার পরিবর্তে আবার মর্ত্যজীবন সম্পর্কে আগ্রহ ফুটে ওঠে। পলাতকা (১৯১৮) কাব্যে গল্প-কবিতার আকারে তিনি নারীজীবনের সমসাময়িক সমস্যাগুলি তুলে ধরেন। পূরবী (১৯২৫) ও মহুয়া (১৯২৯) কাব্যগ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ আবার প্রেমকে উপজীব্য করেন। এরপর পুনশ্চ (১৯৩২), শেষ সপ্তক (১৯৩৫), পত্রপুট (১৯৩৬) ও শ্যামলী (১৯৩৬) নামে চারটি গদ্যকাব্য প্রকাশিত হয়। জীবনের শেষ দশকে কবিতার আঙ্গিক ও বিষয়বস্তু নিয়ে কয়েকটি নতুন পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। এই সময়কার রোগশয্যায় (১৯৪০), আরোগ্য (১৯৪১), জন্মদিনে (১৯৪১) ও শেষ লেখা (১৯৪১, মরণোত্তর প্রকাশিত) কাব্যে মৃত্যু ও মর্ত্যপ্রীতিকে একটি নতুন আঙ্গিকে পরিস্ফুট করেছিলেন তিনি। শেষ কবিতা “তোমার সৃষ্টির পথ” মৃত্যুর আট দিন আগে মৌখিকভাবে রচনা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ।
ছোটগল্প :১৯১৩ সালে ম্যাকমিলান প্রকাশিত দ্য ক্রেসেন্ট মুন (শিশু ভোলানাথ) অনুবাদগ্রন্থের দ্য হিরো (বীরপুরুষ) আখ্যানকবিতার নন্দলাল বসুকৃত অলংকরণ ।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার| মূলত হিতবাদী, সাধনা, ভারতী, সবুজ পত্র প্রভৃতি মাসিক পত্রিকাগুলির চাহিদা মেটাতে তিনি তাঁর ছোটগল্পগুলি রচনা করেছিলেন। এই গল্পগুলির উচ্চ সাহিত্যমূল্য-সম্পন্ন। রবীন্দ্রনাথের জীবনের “সাধনা” পর্বটি (১৮৯১–৯৫) ছিল সর্বাপেক্ষা সৃষ্টিশীল পর্যায়। তাঁর গল্পগুচ্ছ গল্পসংকলনের প্রথম তিন খণ্ডের চুরাশিটি গল্পের অর্ধেকই রচিত হয় এই সময়কালের মধ্যে। গল্পগুচ্ছ সংকলনের অন্য গল্পগুলির অনেকগুলিই রচিত হয়েছিল রবীন্দ্রজীবনের সবুজ পত্র পর্বে (১৯১৪–১৭; প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকার নামানুসারে)  তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গল্প হল “কঙ্কাল”, “নিশীথে”, “মণিহারা”, “ক্ষুধিত পাষাণ”, “স্ত্রীর পত্র”, “নষ্টনীড়”, “কাবুলিওয়ালা”, “হৈমন্তী”, “দেনাপাওনা”, “মুসলমানীর গল্প” ইত্যাদি।[ শেষ জীবনে রবীন্দ্রনাথ লিপিকা, সে ও তিনসঙ্গী গল্পগ্রন্থে নতুন আঙ্গিকে গল্পরচনা করেছিলেন।[
রবীন্দ্রনাথ তাঁর গল্পে পারিপার্শ্বিক ঘটনাবলি বা আধুনিক ধ্যানধারণা সম্পর্কে মতামত প্রকাশ করতেন। কখনও তিনি মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের বৌদ্ধিক বিশ্লেষণকেই গল্পে বেশি প্রাধান্য দিতেন।
উপন্যাস
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মোট তেরোটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন। এগুলি হল: বৌ-ঠাকুরাণীর হাট (১৮৮৩), রাজর্ষি (১৮৮৭), চোখের বালি (১৯০৩), নৌকাডুবি (১৯০৬), প্রজাপতির নির্বন্ধ (১৯০৮), গোরা (১৯১০), ঘরে বাইরে (১৯১৬), চতুরঙ্গ (১৯১৬), যোগাযোগ (১৯২৯), শেষের কবিতা (১৯২৯), দুই বোন (১৯৩৩), মালঞ্চ (১৯৩৪) ও চার অধ্যায় (১৯৩৪)। বৌ-ঠাকুরাণীর হাট ও রাজর্ষি ঐতিহাসিক উপন্যাস। এদুটি রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস রচনার প্রচেষ্টা এরপর থেকে ছোটগল্পের মতো তাঁর উপন্যাসগুলিও মাসিকপত্রের চাহিদা অনুযায়ী নবপর্যায় বঙ্গদর্শন, প্রবাসী, সবুজ পত্র, বিচিত্রা প্রভৃতি পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
প্রবন্ধ ও পত্রসাহিত্য
রবীন্দ্রনাথের সমাজচিন্তামূলক প্রবন্ধগুলি সমাজ (১৯০৮) সংকলনে সংকলিত হয়েছে। রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন সময়ে লেখা রাজনীতি-সংক্রান্ত প্রবন্ধগুলি সংকলিত হয়েছে কালান্তর (১৯৩৭) সংকলনে। রবীন্দ্রনাথের ধর্মভাবনা ও আধ্যাত্মিক অভিভাষণগুলি সংকলিত হয়েছে ধর্ম (১৯০৯) ও শান্তিনিকেতন (১৯০৯-১৬) অভিভাষণমালায়। রবীন্দ্রনাথের ইতিহাস-সংক্রান্ত প্রবন্ধগুলি স্থান পেয়েছে ভারতবর্ষ (১৯০৬), ইতিহাস (১৯৫৫) ইত্যাদি গ্রন্থে। সাহিত্য (১৯০৭), সাহিত্যের পথে (১৯৩৬) ও সাহিত্যের স্বরূপ (১৯৪৩) গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ সাহিত্যতত্ত্ব আলোচনা করেছেন। রবীন্দ্রনাথ ধ্রুপদি ভারতীয় সাহিত্য ও আধুনিক সাহিত্যের সমালোচনা করেছেন যথাক্রমে প্রাচীন সাহিত্য (১৯০৭) ও আধুনিক সাহিত্য (১৯০৭) গ্রন্থদুটিতে।[১৪৭] লোকসাহিত্য (১৯০৭) প্রবন্ধমালায় তিনি আলোচনা করেছেন বাংলা লোকসাহিত্যের প্রকৃতি।ভাষাতত্ত্ব নিয়ে রবীন্দ্রনাথের চিন্তাভাবনা লিপিবদ্ধ রয়েছে শব্দতত্ত্ব (১৯০৯), বাংলা ভাষা পরিচয় (১৯৩৮) ইত্যাদি গ্রন্থে। ছন্দ ও সংগীত নিয়ে তিনি আলোচনা করেছেন যথাক্রমে ছন্দ (১৯৩৬) ও সংগীতচিন্তা (১৯৬৬) গ্রন্থে। বিশ্বভারতীর প্রতিষ্ঠাতা রবীন্দ্রনাথ তাঁর শিক্ষা-সংক্রান্ত ভাবনাচিন্তার কথা প্রকাশ করেছেন শিক্ষা (১৯০৮) প্রবন্ধমালায়। ন্যাশনালিজম (ইংরেজি: Nationalism, ১৯১৭) গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ উগ্র জাতীয়তাবাদের বিশ্লেষণ করে তার বিরোধিতা করেছেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি দর্শন বিষয়ে যে বিখ্যাত বক্তৃতাগুলি দিয়েছিলেন সেগুলি রিলিজিয়ন অফ ম্যান (ইংরেজি: Religion of Man, ১৯৩০; বাংলা অনুবাদ মানুষের ধর্ম, ১৯৩৩) নামে সংকলিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা জন্মদিনের অভিভাষণ সভ্যতার সংকট (১৯৪১) তাঁর সর্বশেষ প্রবন্ধগ্রন্থ। জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ে রবীন্দ্রনাথ বিশ্বপরিচয় (১৯৩৭) নামে একটি তথ্যমূলক প্রবন্ধগ্রন্থ রচনা করেছিলেন। জীবনস্মৃতি (১৯১২), ছেলেবেলা (১৯৪০) ও আত্মপরিচয় (১৯৪৩) তাঁর আত্মকথামূলক গ্রন্থ।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ – জুন ২৯,১৮৭৩) উনিশ শতকের একজন বাঙালি কবি। তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জনক। বাংলা সাহিত্যে চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রচলন করার জন্য তিনি বিখ্যাত। কপোতাক্ষ নদ তাঁর বিখ্যাত চতুর্দশপদী কবিতা।
জীবনী
মাইকেলের জন্ম হয় যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামের এক হিন্দু পরিবারে। পরবর্তীতে হিন্দু (পরে নাম প্রেসিডেন্সী) কলেজে পড়ার সময় তিনি খ্রীস্টান ধর্ম গ্রহন করেন। খ্রীস্টান ধর্ম গ্রহন করায় তার নামের আগে “মাইকেল” নামটি যুক্ত হয়। ইংরেজি ভাষায় মহাকাব্য লিখতে উদ্যত মধুসূদনকে বাংলায় লিখতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন বেথুন সাহেব। ধনী পিতার সন্তান হয়েও তিনি পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হন। ফ্রান্সে থাকাকালীন অর্থাভাবে জর্জরিত মধুসূদনকে টাকা পাঠিয়ে সাহায্য করতেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
কবি তার জীবনের শেষ দিন গুলো তে এসে জন্মভুমির প্রতি তার ভালবাসার চিহ্ন রেখে গেছেন। তার সমাধিস্থলে নিচের কবিতাটি লেখা রয়েছে:
“দাড়াও পথিকবর, জন্ম যদি তব বঙ্গে!
তিষ্ঠ ক্ষনকাল!
এসমাধি স্থলে
(জননীর কোলে শিশু লভয়ে
যেমতি বিরাম) মহীর পদে মহা নিদ্রাবৃত
দত্ত কূলদ্ভব কবি শ্রীমধু সূদন!”
কাব্য: ক্যাপটিভ ল্যাডি (১৮৪৯), তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য (১৮৪৯), মেঘনাদবধ কাব্য (১৮৬১) ।
নাটক: শর্মিষ্ঠা(1858),কৃষ্ণকুমারী(1861) পদ্মাবতী(1860) eªRv½bv(1861)|
প্রহসন:   একেই কি বলে সভ্যতা,বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ(1960)

কাজী নজরুল ইসলাম ঃ

প্রশ্নঃ কাজী নজরুল কবেকোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তরঃ ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৩০৬ বঙ্গাব্দ (২৪ মে ১৮৯৯) খ্রি:) চুরুলিয়া গ্রামআসানসোলবর্ধমান পশ্চিমবঙ্গ।
প্রশ্নঃ তিনি মৃত্যুবরণ করেন কবে?
উত্তরঃ ২৯ আগষ্ট১৯৭৬১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ।
প্রশ্নঃ বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে নজরুলকে কলকাতা থেকে ঢাকায় আনয়ন করা হয় কত সালে?
উত্তরঃ১৯৭২সালের ২৪মে
প্রশ্নঃ নজরুলকে কবে বাংলাদেশের সরকার নাগরিকত্ব প্রদান করে ?
উত্তরঃ১৯৭৬সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারী
প্রশ্নঃ নজরুল কবে মস্তিষ্কের ব্যাধিতে আক্রান্ত হন ?
উত্তরঃ ১৯৪২সালের ১০ ই অক্টোবর ৪৩বছর বয়সে ।
প্রশ্নঃ নজরুলকে কবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডি. লিট উপাধি দেয় ?
উত্তরঃ১৯৭৪সালে
প্রশ্নঃ রবীন্দ্রভারতী কবে ডি. লিট উপাধি দেয় ?
উত্তরঃ১৯৬৯সালে
প্রশ্নঃ ভারত সরকার তাঁকে কবে পদ্মভূষণ উপাধিতে ভূষিত করেন ?
উত্তরঃ ১৯৬০
প্রশ্নঃ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কবে থাকে জগত্তারিণী পুরস্কার প্রদান করেন ?
উত্তরঃ ১৯৪৫সালে ।
প্রশ্নঃ কত সালে নজরুল ২১শে পদক পান ?
উত্তরঃ১৯৭৬সালে
প্রশ্নঃ কতসালে তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার পান ?
উত্তরঃ১৯৭৭সালে
প্রশ্নঃ বিবিসির বাংলা বিভাগ কর্তৃক জরিপকৃত (২০০৪) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালির তালিকায় নজরুলের অবস্থান কত ?
উত্তরঃ ৩য়
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে কবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় ?
উত্তরঃ১৯৭২সালের ২৪মে স্বীকৃতি (সাংবিধানিক স্বীকৃতি এখনও দেওয়া হয়নি।
প্রশ্নঃ নজরুল কতবার ঢাকায় আসেনে ?
উত্তরঃ১৩বার । প্রথম ১৯২৬
প্রশ্নঃ নজরুল কত বার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন ?
উত্তরঃ ৫বার
প্রশ্নঃ নজরুল কোন চলচ্চিত্রে নারদ চরিত্রে অভিনয় করেন ?
উত্তরঃধ্রুব
নজরুলের প্রথম 
—————————
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ ব্যথার দান (প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১৯২২)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত রচনার নাম কী?
উত্তরঃ বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী (প্রকাশ: জ্যৈষ্ঠ ১৩২৬সওগাত)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কবিতার নাম কী?
উত্তরঃ মুক্তি (প্রকাশ: শ্রাবণ ১৩২৬)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ ব্যথার দান (প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি ১৯২২)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ অগ্নি-বীণা (সেপ্টেম্বর১৯২২)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাসের নাম কি?
উত্তরঃ বাঁধনহারা (১৯২৭)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধের নাম কী?
উত্তরঃ তুর্কমহিলার ঘোমটা খোলা (প্রকাশ: কার্তিক ১৩২৬)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃ যুগবাণী (অক্টোবর ১৯২২)।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম প্রকাশিত নাটকের নাম কী?
উত্তরঃ ঝিলিমিলি (১৩৩৪নওরোজ)।
প্রশ্নঃ প্রথম প্রকাশিত নাট্য গ্রন্থ কী?
উত্তরঃ ঝিলিমিলি (১৩৩৭)। এই গ্রন্থে মোট তিনটি নাটক আছে।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থের নাম কী?
উত্তরঃ বিষের বাঁশী (প্রকাশ: আগষ্ট ১৯২৪/ বাজেয়াপ্ত: ২৪ অক্টোবর ১৯২৪)।
প্রশ্নঃ ভোর হল দোর খোল
খুকু মণি উঠো রে —- পঙক্তিটি কার লেখা ?
উত্তরঃকাজী নজরুল ইসলাম ।
প্রশ্নঃ বাংলা সাহিত্যের ‍মুক্তক ছন্দের প্রবর্তক কে?
উত্তরঃকাজী নজরুল ইসলাম।
প্রশ্নঃকাজী নজরুলে বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
উত্তরঃ ময়মনসিংহের ত্রিশালে
প্রশ্নঃ নজরুল মঞ্চ কোথায় অবস্থিত ?
উত্তরঃ বাংলা একাডেমিতে
প্রশ্নঃ বিশ্বকে দেখবো আমি আপন হাতের মুঠায় করে
পঙক্তিটি কার লেখা ?
প্রশ্নঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুতে শোকার্ত কাজী নজরুল ইসলাম কোন কবিতাটি লিখেছিলেন?
উত্তরঃ রবি-হারা
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ কয়টি?
উত্তরঃ ২৩টি
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃনির্ঝর
প্রশ্নঃঝিঙেফুল ও সাতভাই চম্পা কি?
উত্তরঃকাজী নজরুলের ছোটদের কাব্যগ্রন্থ
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত তিনটি পত্রিকার নাম কী?
উত্তরঃ ধূমকেতু (১৯২২)লাঙ্গল (১৯২৫)দৈনিক নবযুগ (১৯৪১)
প্রশ্নঃবার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে , মিথ্যাকে , মৃত্যুকে আকড়াইয়া পড়িয়া থাকে ‘’’– কার কথা?
উত্তরঃ-কাজী নজরুল ইসলামের।
প্রশ্নঃ-কাজী নজরুল ইসলামের ৩টি অনুবাদ গ্রন্থ
উত্তরঃকাব্যে আমপারা , রুবাইয়াত্ -ই- হাফিজরুবাইয়াত্ -ই- ওমর খৈয়াম।
প্রশ্নঃ ব্যথারদান , রিক্তের বেদন ও শিউলিমালা এগুলো কি?
উত্তরঃ গল্পগ্রন্থ
প্রশ্নঃ বিয়ের পর নজরুলের স্ত্রী আশালতা সেন গুপ্তের নাম রাখা হয়
উত্তরঃপ্রমীলা
প্রশ্নঃ চল্ চল্ চল্ সঙ্গীতকে কবে বাংলাদেশ পদাতিক বাহিনীর ‘রণসঙ্গীত’ হিসেবে গ্রহণ করা হয় ?
উত্তরঃ ১৯৯৬সালে।
প্রশ্নঃ নজরুল প্রতিভা কার লেখা ?
উত্তরঃকাজী আবদুল ওয়াদুদ।
প্রশ্নঃকাজী নজরুল ইসলাম কবে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাথে সাক্ষাত্ করেন ?
উত্তরঃ১৯২১সালের অক্টোম্বর মাসে
প্রশ্নঃ নজরুলের গজলগুলোকে বলা হয়
উত্তরঃনজরুলিয়া । (তিনিই প্রথম বাংলা গজল লেখেন। )
প্রশ্নঃ প্রথম বাঙালি মুসলমান চলচ্চিত্রকার কে?
উত্তরঃকাজী নজরুল েইসলাম্
প্রশ্নঃকাজী নজরুল ইসলাম কোথায় সমাহিত করা হয় ?
উত্তরঃঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে।
প্রশ্নঃ নজরুল স্মৃতিবিজড়িত কয়েকটি দর্শনীয় স্থান
উত্তরঃত্রিশাল , ময়মনসিংহদৌলতপুর , কুমিল্লা , কার্পাসডাঙাচুয়াডাঙ্গা ।
প্রশ্নঃকাজী নজরুলকে নিয়ে কোন দেশে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছে ?
উত্তরঃ কানাডা
প্রশ্নঃজীবন বন্দনা কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
উত্তরঃ ৬মাত্রার মাত্রাবৃত্ত ছন্দে।
প্রশ্নঃ ’সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্থ নজরুল কাকে উত্সর্গ করেন ?
উত্তরঃ রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরকে
প্রশ্নঃ অগ্নিবীণা কাব্যগ্রন্থ নজরুল কাকে উত্সর্গ করেন ?
উত্তরঃ বারীন্দ্র কুমার ঘোষকে
প্রশ্নঃবাঁধন হারা ‘ উপন্যাস নজরুল কাকে উত্সর্গ করেন ?
উত্তরঃনলিনীকান্ত সরকারকে
প্রশ্নঃবসন্ত গীতিনাট্য নজরুল কাকে উত্সর্গ করেন ?
উত্তরঃরবীন্দ্র নাথ ঠাকুরকে।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুলের পিতার নাম কী?
উত্তরঃ কাজী ফকির আহমদ।
প্রশ্নঃ নজরুলের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বর্ণনা।
উত্তরঃ দশ বছর বয়সে গ্রামের মক্তব থেকে নিম্ন প্রাইমারী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ (১৯০৯) হন্ এরপর
১৯১৪ সালের ত্রিশালের দরিরামপুর স্কুলে১৯১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের রানীগঞ্জ শিয়ারশোল রাজস্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে ভর্তি হন। এই স্কুল থেকে ১৯১৭ সালে দশম শ্রেণী প্রি-টেস্ট পরীক্ষার সময় লেখাপড়া অসমাপ্ত রেখে তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
প্রশ্নঃ বার বছর বয়সে তিনি কোথায় যোগ দেন?
উত্তরঃ লেটোর দলে এবং দলে ‘পালা গান’ রচনা করেন।
প্রশ্নঃ নজরুল বাংলা সাহিত্যে কী নামে পরিচিত?
উত্তরঃ বিদ্রোহী কবি।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল বাংলাদেশের কোন সঙ্গীতের রচয়িতা?
উত্তরঃ রণসঙ্গীত।
প্রশ্নঃ রণসঙ্গীত হিসাবে মূল কবিতাটির কত চরণ গৃহীত?
উত্তরঃ ২১ চরণ।
প্রশ্নঃ রণসঙ্গীত কী শিরোনামে সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ নতুনের গান শিরোনামে ঢাকার শিখা পত্রিকায় ১৯২৮ (১৩৩৫ বঙ্গাব্দে) বার্ষিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুলের কোন গ্রন্থে এই সঙ্গীত অন্তর্ভুক্ত আছে?
উত্তরঃ সন্ধ্যা কাব্য গ্রন্থে।
প্রশ্নঃ ‘বিদ্রোহী’ কবিতা প্রথম কোথায় প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ ‘সাপ্তাহিক বিজলীর ২২ পৌষ (১৩২৮) সংখ্যায়।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল কোন দৈনিক পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন?
উত্তরঃ ‘সান্ধ্য দৈনিক নবযুগ’ (১৯২০)-এর।
প্রশ্নঃ এই পত্রিকার সঙ্গে আর কোন দুজন রাজনৈতিক নেতা যুক্ত ছিলেন?
উত্তরঃ কমরেড মুজাফফর আহমদ ও
শেরে বাংলা ফজলুল হক।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুলের সম্পদনায় কোন
অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা বের হত?
উত্তরঃ ‘ধূমকেতু’ (১৯২২)।
প্রশ্নঃ ধূমকেতু পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের কোন বাণী ছাপা হয়?
উত্তরঃ ‘আয় চলে আয়রে ধূমকেতু/আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু-
প্রশ্নঃ কোন কবিতা প্রকাশিত হলে তিনি গ্রেফতার হন?
উত্তরঃ ধূমকেতুর পূজা সংখ্যায় (১৯২২) ‘আনন্দময়ীর আগমনে
প্রশ্নঃ রবীন্দ্রনাথ তাঁর কোন গীতিনাট্য নজরুলকে উৎসর্গ করেন?
উত্তরঃ বসন্ত।
প্রশ্নঃ হুগলি জেলে কর্মকর্তাদের অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে নজরুল অনশন করলে রবীন্দ্রনাথ
নজরুলকে কী লিখে টেলিগ্রাফ পাঠান?
উত্তরঃ Give up hunger strike. Our literature claims you.
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল জেল থেকে মুক্তি পান কবে?
উত্তরঃ ১৯২৩-এর ১৫ অক্টোবর।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলাম কংগ্রেসের রাজনীতিতে যোগ দেন কখন?
উত্তরঃ ১৯২৫-এ ফরিদপুর কংগ্রেসের প্রাদেশিক সম্মেলনে।
প্রশ্নঃ নজরুল সম্পাদিত ‘লাঙ্গল’ পত্রিকার প্রকাশকাল কত?
উত্তরঃ ১৯২৫ সাল।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুলকে জাতীয় সংবর্ধনা দেয়া হয় কোথায় এবং কখন?
উত্তরঃ ১৯২৯-এর ১৫ ডিসেম্বর কলকাতার অ্যালবার্ট হলে।
প্রশ্নঃ নজরুলের মোট কয়টি গ্রন্থ বাজেয়াপ্ত হয়,
কী কী?
উত্তরঃ ৫টি। বিশের বাঁশীভাঙার গানপ্রলয় শিখাচন্দ্রবিন্দুযুগবাণী।
প্রশ্নঃ জেলে বসে লেখা জবানবন্দির নাম কী?
উত্তরঃ রাজবন্দির জবানবন্দি। রচনার তারিখ:
৭/১/১৯২৩
প্রশ্নঃ ‘দারিদ্র্য’ কবিতাটি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যের অন্তর্গত?
উত্তরঃ সিন্ধু হিন্দোল কাব্যের।
প্রশ্নঃ কোন কবিতা রচনার জন্য কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীনা’ কাব্য নিষিদ্ধ হয়?
উত্তরঃ রক্তাম্বরধারিনী মা।
প্রশ্নঃ ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
উত্তরঃ অগ্নি-বীণা।
প্রশ্নঃ অগ্নি-বীণা কাকে উৎসর্গ করা হয়?
উত্তরঃ বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষকে।
প্রশ্নঃ অগ্নি-বীণার প্রথম কবিতা কোনটি?
উত্তরঃ প্রলয়োল্লাস।
প্রশ্নঃঅগ্নিবীণাতে কয়টি কবিতা আছে?
উত্তরঃ১২টি
প্রশ্নঃ।সঞ্চিতাতে কয়টি কবিতা আছে?
উত্তরঃ৭৮টি কবিতা
প্রশ্নঃ নজরুলের কোনটি পত্রোপন্যাসের পর্যায়ভুক্ত।
উত্তরঃ বাঁধনহারা।
প্রশ্নঃ কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো কী কী?
উত্তরঃ ‘অগ্নি-বীণা’ (১৯২২)বিষের বাঁশি (১৯২৪),
ভাঙার গান (১৯২৪)সাম্যবাদী (১৯২৫),
সর্বহারা (১৯২৬)ফণি-মনসা (১৯২৭)জিঞ্জির
(১৯২৮)সন্ধ্যা (১৯২৯)প্রলয় শিখা (১৯৩০)
ইত্যাদি।
প্রশ্নঃ জীবনী কাব্যগুলো কী কী?
উত্তরঃ ‘চিত্তনামা’ (১৯২৫) ও মরু-ভাস্কর (১৯৫০)।
প্রশ্নঃ চিত্তনামা ও মরু-ভাস্কর কার জীবনভিত্তিক কাব্য?
উত্তরঃ চিত্তনামা : দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ: মরু-ভাস্কর: হয়রত মুহম্মদ।
প্রশ্নঃ হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর জীবনী গ্রন্থ কোনটি?
উত্তরঃ মরু ভাস্কর।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাসগুলোর নাম উল্লেখ কর।
উত্তরঃ ‘বাঁধনহারা’ (১৯২৭)মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১)।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত গল্পগ্রন্থগুলোর নাম কর।
উত্তরঃ ব্যথার দান (১৯২২)রিক্তের বেদন (১৯২৫)শিউলিমালা (১৯৩১)।
প্রশ্নঃ সংগীত বিষয়ক গ্রন্থাবলীর উল্লেখ কর।
উত্তরঃ চোখের চাতকনজরুল গীতিকাসুর সাকীবনগীতি প্রভৃতি।
প্রশ্নঃ বাল্যকাল তিনি কী নামে পরিচিত ছিলেন?
উত্তরঃ দুখু মিয়া।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলাম কী নামে খ্যাত?
উত্তরঃ বিদ্রোহী কবি।
প্রশ্নঃ বাংলা ভাষায় কে প্রথম ইসলামী গান ও গজল রচনা করেন?
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলাম ১৯১৭ সালে কত নং বাঙালি পল্টনে যোগ দেন।
উত্তরঃ ৪৯ নং
প্রশ্নঃ আদালতে প্রদত্ত কবি নজরুলের রচনার নাম কী?
উত্তরঃ রাজবন্দীর জবানবন্দি
প্রশ্নঃ ১৯৩৩ সালে প্রকাশিত ‘বিষের বাঁশী
কাব্যগ্রন্থ কার নামে উৎসর্গ করেন।
উত্তরঃ মিসেস এম রহমান
প্রশ্নঃ ‘চন্দ্রবিন্দু’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
উত্তরঃ গল্প
প্রশ্নঃ ‘ভাঙ্গার গান’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?
উত্তরঃ কাব্যগ্রন্থ।
প্রশ্নঃ নারী কবিতাটি কে লিখেছেন ?
কাজী নজরুল ইসলাম ।
প্রশ্নঃ আবুল মনসুর আহমদ এর কোন গ্রন্থে কাজী নজরুল ইসলাম ভূমিকা রচনা করেছেন?
উত্তরঃ আয়না
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামের তিনটি নাটকের নাম করুন।
উত্তরঃ ঝিলমিলিআলেয়াপুতুলের বিয়ে ।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নি-বীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতাটি কোনটি?
উত্তরঃ প্রলয়োল্লাস।
প্রশ্নঃ ১৯৩০ সালে কোন কবিতার জন্য নজরুল ইসলাম ৬ মাসের জন্য কারাবরণ করেন?
উত্তরঃ প্রলয় শিখা
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমমূলক রচনা কোনটি?
উত্তরঃ শিউলীমালা
প্রশ্নঃ ‘সাম্যবাদী’ কাজী নজরুলের কোন জাতীয় রচনাকত সালে কোথায় প্রথম প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ কবিতা১৩৩২ বঙ্গাব্দে ১লা পৌষ ‘লাঙ্গল
পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
প্রশ্নঃ ‘আমি সৈনিক’ রচনাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থের অন্তর্ভূক্ত।
উত্তরঃ দুর্দিনের যাত্রী।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম কী এবং কত সালে প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ অগ্নিবীণা১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলামের দুটি অনুবাদ গ্রন্থের নাম করুন।
উত্তরঃ রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ (১৯৩০) ও রুবাইয়াৎ-ই- ওমর খৈয়াম (১৯৬০)।
প্রশ্নঃ এ পর্যন্ত কাজী নজরুল ইসলামের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা কত?
উত্তরঃ ৫১টি
প্রশ্নঃ কাজী নজরুল ইসলাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে কোন গ্রন্থটি উৎসর্গ করেন?
উত্তরঃ সঞ্চিতা।
প্রশ্নঃ কাজী নজরুলের ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ লাঙ্গল।
প্রশ্নঃ নজরুল সাহিত্যের লক্ষণীয় বৈশিষ্ট্য কী?
উত্তরঃ সংস্কার ও বন্ধন মুক্তি
প্রশ্নঃ কত সালে কাজী নজরুল ইসলাম আশালতা সেন গুপ্তার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবন্ধ
হন?
উত্তরঃ ১৯২৪ সালে
প্রশ্নঃ ১৯২২ সালে ধূমকেতুর শারদীয় সংখ্যায় কী কী প্রকাশের জন্য কাজী নজরুল ইসলামকে এক
বৎসর কারাবণ করতে হয়?
উত্তরঃ আনন্দময়ীর
আগমনে কবিতা এবং ‘বিদ্রোহীর কৈফিয়াৎ’ প্রকাশের জন্য।
প্রশ্নঃ নজরুল ইসলামের কবিতা সর্বপ্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
উত্তরঃ বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য পত্রিকায়।
প্রশ্নঃ বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণে দুটি বৃক্ষ আছে। তার একটি রবীন্দ্রনাথের নামে অপরটি কার নামে?
উত্তরঃ কাজী নজরুল ইসলামের নামে।
প্রশ্নঃ ‘যাকে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নি’- এই
বিখ্যাত গানের চরণটি নজরুল কাকে উদ্দেশ্য
করে রচনা করেছেন?
উত্তরঃ নার্গিসকে।
প্রশ্নঃ নার্গিসের বাড়ি কোথায়?
উত্তরঃ কুমিল্লা জেলার দৌলতপুরে।
প্রশ্নঃ নজরুল ইসলামের রচনা দুটো ঐতিহ্য একই মিলন মোহনায় এসে মিসেছে। ঐতিহ্য দুটো কী?
উত্তরঃ মুসলিম ঐতিহ্য এবং হিন্দু ঐতিহ্য।
প্রশ্নঃ মুসলিম ও হিন্দু এতিহ্যকে একীভূত করার উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর ছেলের নাম কী রাখেন?
উত্তরঃ কৃষ্ণ-মোহাম্মদ
প্রশ্নঃ নজরুল মায়ের মত সম্মান করতো কোন মহিলাকে?
উত্তরঃ বিরজা সুন্দরী নামে কুমিল্লার এক হিন্দু মহিলাকে।

No Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Uncategorized
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা সাজেশন 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা সাজেশন বাংলাতে ২০ মার্ক আছে…শুধু এই কয়টা অধ্যায় থেকে আপনারা সর্ব নিম্ন ১৫টা প্রশ্ন কমন পাবেন । বাংলা সাজেশনঃ সন্ধি বিচ্ছেদ-১-২ মার্ক কারক ও বিভক্তি-১ মার্ক  সমাস-১-২মার্ক বানান শুদ্ধি-১ মার্ক সমার্থক শব্দ-১-২ মার্ক বিপরীত শব্দ-১-২ মার্ক বাগধারা-১-২ মার্ক এককথায় প্রকাশ-১ মার্ক প্রকৃতি ও প্রত্যয়/পদ-০১ মার্ক …

Uncategorized
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা ও ইংরেজি সাজেশনঃ বাংলাতে ২০ মার্ক আছে…শুধু এই কয়টা অধ্যায় থেকে আপনারা কম করে হলেও ৮টা প্রশ্ন কমন পাবেন । সন্ধি বিচ্ছেদ-১ মার্ক কারক ও বিভক্তি-১ মার্ক সমাস-১ মার্ক  বানান শুদ্ধি-১ মার্ক সমার্থক শব্দ-১ মার্ক বিপরীত শব্দ-১ মার্ক বাগধারা-১ মার্ক এককথায় প্রকাশ-১ মার্ক প্রকৃতি ও …

Uncategorized
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ পর্ব-০১

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ পর্ব-০১ প্রাচীন যুগ: ১। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কি ?- চর্যাপদ ২। চর্যাগীতি রচনার সংখ্যাধিক্যের দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী কে?- ভুসুকপা ৩। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীন যুগ কোনটি?- ৬৫০-১২০০ সাল ৪। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কি ? চর্যাপদ লিঙ্গ ও বচন: ১।‘বীর’ শব্দের বিপরীত লিঙ্গ কি? …