প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য প্রাচীন যুগ নিয়ে গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্ন

studyonlinebd.com পক্ষ থেকে আপনাদের সাবাইকে অনেক অনেক অভিন্দন ।আশা করি আপনারা অনেক ভাল আছেন। শুরুতেই বলতে চাই studyonlinebd.com এর উদ্দেশ্য বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যাবস্থা কে অনলাইন ভিত্তিক করতে চাই আমরা এই নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি । এখানে থাকছে অষ্টম শ্রেণী থেকে বিসিএস পর্যন্ত সবার জন্য মডেল টেষ্ট ,অধ্যায় ভিত্তিক কুইজ সহ শিক্ষা বিষয়ে সব কিছু নিয়ে আমাদের আয়োজন । যাই হক কাজের কথায় আসি। প্রায় সব পরীক্ষা শেষ এখন গুরুত্ব পূর্ণ একটা পরীক্ষা প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা এখন ও হয় নি তাই এখন আমরা সবাই এক সাথে প্রাইমারির পরীক্ষার প্রস্তুতি নিবো সাথে অন্য গুলো বিষয়ে ও পোষ্ট থাকবে । চিনের টোপিক গুলো থাকে আমরা প্রতিদিন পোষ্ট করবো তবে আপনাদের সহযোগীতা প্র্যোজন । প্রতিদিন আপনারা পড়তে আসলেই আমি পোষ্ট করে আনন্দ পাবো। বিস্তারিত পরেনঃ

প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার  বিগত সালের প্রশ্নঃ

প্রশ্নঃবাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন কি?

উত্তরঃ চর্যাপদ

প্রশ্নঃচর্যাগীতি রচনায় সংখ্যাধিক্যের দ্বিতীয় স্থানের অধীকারী কে?

প্রশ্নঃবাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন কি?

উত্তরঃ  ভুসুকপা

প্রাইমারির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য  গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নঃ

প্রশ্নঃ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনযুগের একমাত্র নিদর্শন কি?

উত্তরঃ চর্যাপদ

প্রশ্নঃ চর্যায় কত জন কবির পদ পাওয়া গেছে?

উত্তরঃ ২৩/২৪

প্রশ্নঃ চর্যাপদ গ্রন্থে মোট কয়টি পদ
পাওয়া গেছে?
উত্তরঃ সাড়ে ছেচল্লিশটি (একটি পদের
ছেঁড়া বা খন্ডিত অংশসহ)।
প্রশ্নঃ চর্যার পদগুলো কোন ভাষায় রচিত?
উত্তরঃ সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষায় রচিত।
প্রশ্নঃ সন্ধ্যা বা সান্ধ্য ভাষা কি?
উত্তরঃ যে ভাষা সুনির্দিষ্ট রূপ পায় নি, যে ভাষার
অর্থও একাধিক অর্থাৎ আলো-আঁধারের মত,
সে ভাষাকে পন্ডিতগণ সন্ধ্যা বা সান্ধ্য
ভাষা বলেছেন।
প্রশ্নঃ চর্যাপদ গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত প্রথম
পদটি কার লেখা? তা উল্লেখ কর।
উত্তরঃ লুইপার।
প্রশ্নঃ চর্যাপদের আবিষ্কারক কে?
উত্তরঃ হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।
প্রশ্নঃ তিনি কোন উপাধি প্রাপ্ত হন?
উত্তরঃ মহামহোপাধ্যায়।
প্রশ্নঃ কোথায় থেকে, কত সালে চর্যাপদ
আবিষ্কার করা হয়?
উত্তরঃ নেপালের রয়েল লাইব্রেরি থেকে, ১৯০৭
সালে চর্যাপদ আবিষ্কার করা হয়।
প্রশ্নঃ চর্যাপদ কবে, কোথা থেকে, কার
সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়ে জনসমক্ষে আসে?
উত্তরঃ ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ)
কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে চর্যাপদ
আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। এর
সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ
শাস্ত্রী।
প্রশ্নঃ চর্যাপদের রচনাকাল
সম্পর্কে কে কি বলেন?
উত্তরঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে ৬৫০
খ্রিস্টাব্দ থেকে, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের
মতে ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের
মধ্যে পদগুলো রচিত। সুকুমার সেন সহ
বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব পন্ডিতই
সুনীতিকুমারকে সমর্থন করেন।
প্রশ্নঃ চর্যার কবিদের মধ্যে কোন
কবি সর্বাপেক্ষা প্রাচীন বলে মনে করা হয়?
উত্তরঃ শবরপা (৬৮০ থেকে ৭৬০ খ্রিস্টাব্দ)।
প্রশ্নঃ চর্যাপদের সর্বাধিক পদরচয়িতা কোন
কবি?
উত্তরঃ কাহ্নপা।
প্রশ্নঃ তিনি কয়টি ও কোনপদগুলো রচনা করেন?
উত্তরঃ ১টি। পদগুলোঃ ৭, ৯ থেকে ১৩, ১৮,
১৯, ৩৬, ৪০, ৪২, ৪৫ (২৪
নং পদটি কাহ্নপা রচিত, তবে সেটি পাওয়া যায় নি)
প্রশ্নঃ চর্যাপদে যে পদগুলো পাওয়া যায় নি তার
কোনটি কাহ্নপার রচনা বলে মনে করা হয়।
উত্তরঃ ২৪ নং পদটি।
প্রশ্নঃ চর্যাপদে কাহ্নপা আর কি কি নাম
পাওয়া যায়?
উত্তরঃ কাহ্নু, কাহ্নি, কাহ্নিল, কৃষ্ণচর্য,
কৃষ্ণবজ্রপাদ।
প্রশ্নঃ কুক্কুরীপা কি মহিলা কবি ছিলেন?
উত্তরঃ কোন সুনিশ্চিত প্রমাণ নেই। তবে অনেকের
মতে কুক্কুরীপা নারী ছিলেন।
প্রশ্নঃ তিনি কয়টি পদ রচনা করেন ও কি কি?
উত্তরঃ ২টি। ২ ও ২০ সংখ্যক। মনে করা হয়,
খুঁজে না পাওযা ৪৮ নং পদটিও তাঁর রচনা।
সে হিসেবে ৩টি।
প্রশ্নঃ কুক্কুরীপা রচিত অতিপরিচিত
দুটি পংক্তি কি?
উত্তরঃ দিবসহি বহূড়ী কাউহি ডর ভাই।
রাতি ভইলে কামরু জাই। (পদ:২) (অর্থাৎ
দিনে বউটি কাকের ভয়ে ভীত হয় কিন্তু রাত হলেই
সে কামরূপ যায়।)
প্রশ্নঃ লুইপা কে ছিলেন?
উত্তরঃ প্রবীণ বৌদ্ধসিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদের
কবি।
প্রশ্নঃ লুইপা কোন অঞ্চলের কবি ছিলেন?
উত্তরঃ তিববতী ঐতিহাসিক লামা তারনাথের
মতে লুইপা পশ্চিমবঙ্গের গঙ্গার ধারে বাস
করতেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে লুইপা রাঢ়
অঞ্চলের লোক।
প্রশ্নঃ চর্যাপদের প্রথম পদটি কার রচনা?
উত্তরঃ লুইপার।
প্রশ্নঃ এই পদের দুটি চরণ লিখ।
উত্তরঃ কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল\ (পদ: ১) ( অর্থাৎ দেহ
গাছের মত, এর পাঁচটি ডাল। চঞ্চল মনে কাল
প্রবেশ করে।)
প্রশ্নঃ চর্যায় তিনি মোট কতটি পদ লিখেছেন?
উত্তরঃ দুটি (১ ও ২৯) সংখ্যক)
প্রশ্নঃ লুইপা রচিত কয়টি সংস্কৃতগ্রন্থের নাম
পাওয়া যায়, কি কি?
উত্তরঃ ৫টি। অভিসময় বিভঙ্গ, বজ্রস্বত্ব
সাধন, বুদ্ধোদয়, ভগবদাভসার, তত্ত্ব সভাব।
প্রশ্নঃ শবরপা কোন সময়ের কবি?
উত্তরঃ তার জীবনকাল ৬৮০ থেকে ৭৬০
খ্রিস্টাব্দের মধ্যে। সেই সূত্রে শবরপা চর্যার
কবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন।
প্রশ্নঃ শবরপা কোন দেশের লোক ছিলেন?
উত্তরঃ মহুম্মদ শহীদুল্লাহর
মতে তিনি ‘বাংলা দেশে’র লোক।
প্রশ্নঃ শবরপা কোন কবির গুরু ছিলেন?
উত্তরঃ লুইপার।
প্রশ্নঃতিনি কার শিষ্য ছিলেন?
উত্তরঃ নাগার্জুনের।
প্রশ্নঃ সংস্কৃত ও অপভ্রংশ
মিলে তিনি কয়টি গ্রন্থ লিখেছেন।
উত্তরঃ ১৬টি।
প্রশ্নঃ চর্যাপদের কোন পদগুলো তার রচনা?
উত্তরঃ ২৮ ও ৫০ সংখ্যক।

প্রতিদিন নতুন নতুন পোষ্ট পেতে আমাদের সাথে থাকেন।

No Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Uncategorized
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা সাজেশন 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা সাজেশন বাংলাতে ২০ মার্ক আছে…শুধু এই কয়টা অধ্যায় থেকে আপনারা সর্ব নিম্ন ১৫টা প্রশ্ন কমন পাবেন । বাংলা সাজেশনঃ সন্ধি বিচ্ছেদ-১-২ মার্ক কারক ও বিভক্তি-১ মার্ক  সমাস-১-২মার্ক বানান শুদ্ধি-১ মার্ক সমার্থক শব্দ-১-২ মার্ক বিপরীত শব্দ-১-২ মার্ক বাগধারা-১-২ মার্ক এককথায় প্রকাশ-১ মার্ক প্রকৃতি ও প্রত্যয়/পদ-০১ মার্ক …

Uncategorized
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সাজেশন

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বাংলা ও ইংরেজি সাজেশনঃ বাংলাতে ২০ মার্ক আছে…শুধু এই কয়টা অধ্যায় থেকে আপনারা কম করে হলেও ৮টা প্রশ্ন কমন পাবেন । সন্ধি বিচ্ছেদ-১ মার্ক কারক ও বিভক্তি-১ মার্ক সমাস-১ মার্ক  বানান শুদ্ধি-১ মার্ক সমার্থক শব্দ-১ মার্ক বিপরীত শব্দ-১ মার্ক বাগধারা-১ মার্ক এককথায় প্রকাশ-১ মার্ক প্রকৃতি ও …

Uncategorized
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ পর্ব-০১

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিঃ পর্ব-০১ প্রাচীন যুগ: ১। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কি ?- চর্যাপদ ২। চর্যাগীতি রচনার সংখ্যাধিক্যের দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী কে?- ভুসুকপা ৩। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীন যুগ কোনটি?- ৬৫০-১২০০ সাল ৪। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন কি ? চর্যাপদ লিঙ্গ ও বচন: ১।‘বীর’ শব্দের বিপরীত লিঙ্গ কি? …